পৌরসভা পরিচিতি

কাহালু পৌরসভার পরিচিতি

কাহালু পৌরসভা বগুড়া জেলায় অবস্থিত “গ” শ্রেণীর পৌরসভা।এই পৌরসভার আয়তন ৬.৮৩ বঃ কিঃ । ০৯টি ওয়াডে বিভক্ত এই পৌরসভা কাহালু সদর ইউনিয়ন পরিষদের অংশ বিশেষ নিয়ে ২১/১১/২০০২ তারিখে সরকারী গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্টিত হয়।  পৌরসভার মোট জনসংখ্যা ১৯৬৩৬ জন (৩১ জানুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)। মোট ভোটারের সংখ্যা ৯৮৩৪ জন (৩১ জানুয়ারী ২০১৫ পর্যন্ত)। এই পৌরসভা প্রতিষ্টিত হওয়ার পরে ৩০/১১/২০০২ ইং তারিখে জনাব মোঃ ফরিদুর রহমান ফরিদ কে প্রশাসক নিয়োগ করা হয় এবং তাকে সহায়তা করার জন্য ১২ (বার) সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দেওয়ার হয়। অতপর ২১/১০/০৩ তারিখে কাহালু পৌরসভায় প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোঃ ফরিদুর রহমান  ফরিদ চেয়ারম্যান এবং নয়জন কমিশনার ও তিন জন সংরক্ষিত আসনের মহিলা কমিশনার নির্বাচিত হন। গত ১১/১২/২০০৮ ইং তারিখে জনাব মোঃ ফরিদুর রহমান ফরিদ চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ করেন এবং ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব  পালন করেন। গত ১০/০১/২০১১ইং তারিখে কাহালু পৌরসভায় ২য় নির্বাচনঅনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে জনাব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজ বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচিত ০৯(নয়) জন কাউন্সিলর ও তিনজন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরদের সহযোগিতায় বর্তমান মেয়র খুবই সুচারু ভাবে পৌরসভার দায়িত্ব পালন করছে। কাহালু পৌরসভায় কাজের স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা এবং পৌরসভায় কর আদায়ের হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটি বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে।  এই পৌরসভা বর্তমানে 21 জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছে। অত্র এলাকাটি পূর্বে কাহালুর বিখ্যাত জমিদার পরিবার মজুমদার পরিবার কর্তৃক শাসিত হত। উত্ত মজুমদার পরিবারের বিখ্যাত জমিদার শ্বর্গীয়ু কালীপদ মজুমদ এর নাম এখন ও মানুষের মনে স্থায়ী ভাবে প্রচিলিত রয়েছে। বিটিশ আমলে কাহালু পৌর এলাকার সঙ্গে রাজধানী কলিকাতা নিবির ভাবে যোগাযোগ ছিল। নিবির যোগাযোগের কারণে বিটিশ আমলে কাহালুতে একটি রেলওয়ে ষ্টেশন নির্মিত হয়। এই রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দ্রুর দুরান্ত পথে মানুষ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। অত্র পৌর এলাকার মধ্যে একটি বিখ্যাত পীর আউলিয়ার মাজার রয়েছে। তাঁহার নাম এবং এলাকায় প্রচলিত রয়েছে  নাম অনুসারে কাহালু নাম করণ করা হয়েছে। কাহালু পৌর এলাকা ধান/চাল ও রেনু পোনা (মাছ) উৎপাদনের জন্য সুনাম অর্জন করেছে।

 

Bookmark the permalink.

Comments are closed.